মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
‘‘সবুজবিডি২৪ ডট কম’’ এ আপনাকে স্বাগতম। সাইটের উন্নয়ন কাজ চলছে... এ সময় আমাদের সাইট ভিজিট করতে একটু সমস্যা হতে পারে সেজন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

দশমিনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে দেওয়ার কথা বলে ৯ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

সাফায়েত পটুয়াখালী (দশমিনা) প্রতিনিধি:

দশমিনা উপজেলার ০৩ নং বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ০৭ ও ০৮ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়গোপালদী গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে অর্থ আদায় করেন একই গ্রামের   মোঃ জব্বার ফকিরের ছেলে হানিফ ফকির ( মাষ্টার) সহ তিন দালাল।  

 ওই দুই গ্রামে  নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে দুইশত পাঁচ গ্রাহকের কাছ থেকে আদমপুর সিনিয়র মাদরাসার বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হানিফ মাষ্টার ও তার দুই সহোদরের নেতৃত্বে প্রতি ঘর  থেকে ছয়/সাত হাজার টাকা করে বিভিন্ন সময়ে প্রায় নয় লক্ষাধিক টাকা আত্তসতের অভিযোগ উঠেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামে সিন্ডিকেট করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে।

জানা যায়, চার বছর আগে বড়গোপালদী গ্রামে বিদ্যুৎ এনে দেওয়ার নামে হানিফ মাষ্টার ওই গ্রামে বারবার মিটিং করে। তখন ২০৫ জন গ্রাহকের কাছ থেকে নয়লক্ষাধিক টাকা আদায়  করা হয় বলে ভুক্তভূগীরা অভিযোগ করেন। 

বর্তমানে হানিফ মাষ্টার  মিটার সংযোগ ও ঘর ওয়্যারিং করার জন্য প্রতিগ্রাহক থেকে আবার চার হাজার টাকা করে  দাবী করেন। এই নিয়ে গ্রাম বাসীদের মধ্য তীব্র ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়। কিছু দিন আগে দালাল হানিফ মাষ্টারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী মানব বন্ধন করে তার শাস্তি দাবী করেন।

প্রতিনিধির কাছে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন যে, হানিফ মাষ্টার গং বিদ্যুৎ এনে দেওয়ার জন্য আমাদের জিম্মী করে ফেলেছে সে এখন বলে যে তাকে টাকা না দিলে ঘরে বিদ্যুতের বাতি জ্বলবেনা।

বিদ্যুতের খুটি সরিয়ে ফেলবে।কিন্তু এখন পর্যন্ত গ্রামের কোনো বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।  এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তিদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন হানিফ মাষ্টার একজন ঠকবাজ লোক এলাকায় বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা বলে সে অনেক টাকা করেছে। আবার নতুন করে টাকা নেওয়ার পায়তারা করছে।

আমরা তাকে নিয়ে বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের জন্য বলেছি কিন্তু সে কারো কথা না শুনছে না। তাকে আইনের আওতায় নিলেই বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধান হবে। এরই মধ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। হানিফ মাষ্টারের সাথে মুঠোফনে কথা বললে তিনি বলেন, উক্ত কথাগুলো মিথ্যা ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রথমে তিনি ওই টাকার কথা শিকার করেন। পরে তিনি বলেন, ‘গ্রামের সমঝতার মধ্যে টাকা গুলো তুলে বিদ্যুৎ বিভাগের  কর্মকর্তাদের  দেওয়া হয়েছে। বাউফল পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সহকারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এজিএম) বলেন, পশ্চিম বড়গোপালদী গ্রামে ওই তিন ব্যাক্তির টাকা নেওয়া বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই। তবে ওই ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

বাউফল অফিসের এজিএম আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে বলেন, বিদ্যুৎতের জন্য অফিসে মিটার বাবদ ৬শত টাকা ও সদস্য ফি বাবদ ৫০ টাকা, মোট ৬শত ৫০ টাকা করে অফিসে এর বাহিরে কোন টাকা অফিসে দিতে হয় না। তবে এবিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com