শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০১:০৮ অপরাহ্ন

পীরগঞ্জে জমিদার শ্যামাদাস রায় চৌধুরীর রেখে যাওয়া জমি, পুত্র সাজিয়ে বিক্রি, অতপর জমির শ্রেনী পরির্বতন করে পুকুর খনন

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুর জেলাধীন পীরগঞ্জে উপজেলা ১৫ কাবিলপুর ইউনিয়নে জমিদার শ্যামাদাস রায় চৌধুরী তার রেখে যাওয়া জমি সরকারী খতিয়ান ভুক্ত হলেও শ্যামাদাস রায় চৌধুরী পুত্র পরিচয় দিয়ে জোত্যিময় প্রসাদ রায়। সাং সেনপাড়া রংপুর। ১৫ নং কাবিলপুর ইউনিয়নের জাহঙ্গীর পিতা ময়েজ উদ্দিন গ্রাম নিজ কাবিলপুর (খিয়ার পাড়া) নিকট ১১ এশর ২শতাংশ জমি বিক্রি করে যাহার জে এলনং ২৯০ দাগ নং ১৫৬।

উক্ত জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর খননের কাজ চলমান গত ১৩/০৩/১৯ইং রোজ বুধবার বেলা ২ টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি, সন্জয় কুমার রায়, চতরা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম সিদ্দিক, র্সাভেয়ার রাজু সহ সঙ্গী ফোর্স নিয়ে ভ্রাম্যান আদালতের মাধ্যমে বিশেষ অভিযানে তিন টি মহেন্দ্র, একটি ভ্যাকুমেশিন (মাটিকাটা মেশিন) জব্দ করে ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ স্বপনের জিম্মায় রেখে জাহাঙ্গীরের পিতা ময়েজ উদ্দিন কে জিঞ্জাসাবাদ করার জন্য সহকারী ভুমি কর্মকর্তার অফিসে নিয়ে আসেন। এলাকায় খোজ -খবর নিয়ে জানা যায়, জমিদারের কোন পুত্র সন্তান ছিলো না ।

স্বর্গীয় জমিদারের দুই কন্যা সন্তান ছিল তার মধ্যে একজন মারা যায় অপরজন ইসলাম ধর্ম গ্রহন কওে সংসার জীবন অতিবাহিত করছে। উল্লেখ্য জোত্যিময় প্রসাদ রায় চৌধুরী তার পিতা শ্যামদার রায় চৌধুরী নামে পরিচয় দিয়ে উক্ত জমি বিক্রি করলেও জোত্যিময় সরকারী চাকুরী করার সুবাদে জানাজায় সেখানে, তার পিতার নাম গৌতম কুমার রায় চৌধুরী সে আয়কর অফিসে চাকুরী করত।

পীরগন্ঞ্জ উপজেলায় জমিদারগনের রেখে যাওয়া অনেক জমি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীর সহায়তায় নকল দলিল করে তাতে পুকুর খননের প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। পৌতৃক জমি হলেও তার শ্রেনীর পরির্বতন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিতে হয় এটি যেন জন সাধারন জানে না বা মানে না।এভাবেই চলছে, কত দিন চলবে এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com