মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
‘‘সবুজবিডি২৪ ডট কম’’ এ আপনাকে স্বাগতম। সাইটের উন্নয়ন কাজ চলছে... এ সময় আমাদের সাইট ভিজিট করতে একটু সমস্যা হতে পারে সেজন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ- আসছে দাবদাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে অসহ্য গরম অনুভূত হচ্ছে। বৈশাখের শুরুতে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় এ ভ্যাপসা গরমের প্রভাবে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

ঝড়-বৃষ্টির পর বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় অনুভূত হচ্ছে এই অস্বস্তির গরম।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শুক্রবারের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যেতে পারে তীব্র দাবদাহ ।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনার অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। তবে রাজশাহী, রংপুর ও সিলেটে ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আফতাব উদ্দিন বলেন, চৈত্রের শেষে কালবৈশাখীর দাপটের সঙ্গে বজ্রঝড় ও শিলা বৃষ্টি ছিল। এখন তাপমাত্রা বাড়ছে। আরও কয়েকদিন তা অব্যাহত থাকবে। বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি রয়েছে জনজীবনে।

তিনি বলেন, ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে বয়ে যেতে পারে তাপপ্রবাহ। চলতি মাসের শেষ দিকে ফের কালবৈশাখীর দাপট থাকবে; সাগরে নিম্নচাপেরও শঙ্কা রয়েছে।

থার্মোমিটারের পারদ চড়তে চড়তে যদি ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, আবহাওয়াবিদরা তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলেন।

উষ্ণতা বেড়ে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অফিস।

এ মৌসুমে প্রতিদিন বিকালেই কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে জানিয়ে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন আফতাব উদ্দিন।

এপ্রিল-মে মাসের উষ্ণ আবহাওয়ায় কালবৈশাখী, বজ্রঝড়ের অনুকূল পরিবেশ থাকে। বিশেষ করে উত্তর-উত্তর পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে কালবৈশাখীর দাপট বেশি। এমন সময়ে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বিদ্যুৎ চমকানো ও ঘন ঘন বজ্রপাতের মত পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com