সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ০৭:১০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
ক্ষমতা উপভোগের নয়, সেবা করার সুযোগ: প্রধানমন্ত্রী প্রেমে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে হাতুড়িপেটা কারাগারে পলাশ রায় হত্যা ও প্রবীর শিকদারের পরিবারকে দেশছাড়ার পাঁয়তারার প্রতিবাদে জামালপুরে মানববন্ধন মাদকসক্ত শিক্ষকের হাতে সহকর্মী গুরুতর আহত ইবিতে নিজস্ব অর্থায়নে আইআইইআর-এর নিজস্ব ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন জামালপুরে নারী ও শিশু ধর্ষন নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন র‌্যাব-১৩ অভিযান পরিচালনা করে ২৪৩৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা আটক করেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টাঙ্গাইলের করটিয়া হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল অটোরিকশার তিন যাত্রীর রংপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলো মেট্রোপুলিশ কমিশনার

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আখের বাম্পার ফলনেও কৃষকের দুঃচিন্তা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার এবার আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার অধিক ফলন হলেও আখের সঠিক মূল্য নিয়ে চিন্তায় রয়েছে চাষিরা। বাজারে সঠিক মূল্য লাভের আশা তাদের। তবে সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা পেলে চাষিদের উপকার হবে এবং আখচাষে আগ্রহ বাড়বে এ উপজেলায় দাবি কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,সাটুরিয়া উপজেলার এবছর ৪০ হেক্টর জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে।তবে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে আখের ভালো ফলন হয়েছে।বিশেষ করে সদর ইউনিয়ন, ফুকুরহাটি, দড়গ্রাম ও দিঘুলিয়া ইউনিয়নে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে।অনান্য ইউনিয়নেও ভালো হয়েছে।

চাষিরা জানায়, বাংলা বছরের কার্র্তিক মাসের শুরুতে জমিতে সারি বদ্ধভাবে আখের চারা রোপন করতে হয়। চারা ছোট থেকে প্রাপ্ত বয়স পর্যন্ত হওয়া পর্যন্ত। আখ ক্ষেতে ৩-৪ বার পানি দিয়ে মাটি ভেজাতে হয়। বেশ কয়েকবার জমিতে আগাছা পরিস্কার, রাসায়নিক সার, কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এ সময় প্রচুর খরচ হওয়াতে দিনে দিনে আখ চাষ আগ্রহ কমে যাচ্ছে কৃষকদের।

চাষিরা জানান, বছর উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বিশেষ করে বাটাম খাঘরী, গ্যান্ডারী, বৌম্বায়, মিস্ত্রি দানা, ধলী, পচাঁদান ও নিজকসহ বিভিন্ন জাতের আখের বাম্পার ফলন হয়েছে।

সাটুরিয়া ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের আখ চাষী মো. চাঁন মিয়া জানান, এবছর তিনি ৯৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছে। এতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং ভালো ফলনও হয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাকে। যদি সরকারিভাবে সহযোগীতা পাওয়া যায়।তাহলে সামনে আরও বেশি করে আখ চাষ করতে পারবে।

ধূল্যা গ্রামের মো. আবুল হোসেন জানান, এবছর আখের বাম্পার ফলন হলেও পাইকার না আসায় চিন্তায় রয়েছে তিনি।সংসার চালাতে তাই বাজারে খুচরা অল্প মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে। অপরদিকে সুদের টাকার জন্য সকাল বিকাল তাগাদা শুনতে হচ্ছে। জমিতে চারা রোপনের সময় দাদনে আনা সুদের টাকাও ফেরত দিতে পারছি না।

ফুকুরহাটি গ্রামের আব্দুর রহিম জানান, অর্থনৈতিক অভাবের কারণে আখ চাষের সময় ধারদেনা করে ৯০শতাংশ জমিতে বিভিন্ন জাতের আখ চাষ করেছেন তিনি। যদি সরকারিভাবে কম সুদে ব্যাংক ঋন পাওয়া যেত তাহলে ধার-দেনা করতে হত না। তাই সরকারের কাছে দাবি সরকার যেন এই ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়। এতে কৃষকদের কৃষি কাজে আগ্রহ আরও বাড়বে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, সাটুরিয়া উপজেলায় এবছর প্রায় ৪০ হেক্ট্রর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় এবছর আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে সদর ইউনিয়ন, ফুকুরহাটি, দড়গ্রাম ও দিঘুলিয়া ইউনিয়নে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ঠিকমত মূল্য পেলে চাষিরা বেশ লাভবান হবে।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com