রবিবার , ডিসেম্বর 16 2018
হোম / নির্বাচন সাময়িকী / ময়মনসিংহ-১১ভালুকা আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেনা আমান উল্লাহ- উৎফুল্য বিএনপি

ময়মনসিংহ-১১ভালুকা আসনে আ’লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেনা আমান উল্লাহ- উৎফুল্য বিএনপি

মোঃ সাহিদুজ্জামান (সবুজ),ভালুকা ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ

জাতীয় সংসদের ১৫৬ ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে আওয়ামীলীগ থেকে কে পাচ্ছেন মনোনয়ন, এনিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠার শেষ নেই। আশা-হতাশার মাঝ খানে তৃণমূল নেতা-কর্মী ও শান্তি প্রিয় সাধারণ ভোটাররা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চুড়ান্ত ঘেষাণা না হওয়ায় এলাকায় চলছে নানা রকম প্রচারনা। বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এম আমান উল্লাহ মনোনয়ন পাচ্ছেন না এমন প্রচারনায় ভালুকার শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের মাঝে নেমে এসেছে হতাশার ছাপ, তৃণমূল আওয়ামীলীগরে নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে ঘোমট নীরবতা।

একদিকে আওয়ামীলীগের বলয়ে হতাশার ছাপ অপরদিকে বিএনপি বলয়ে দেখা দিয়েছে উৎফুল্যতা। বিএনপি মনে করছে ৯৬ এ হারানো আসন এবার তারা উদ্ধার করতে পারবে। কারন ব্যক্তি ডাঃ আমান উল্লাহ বিএনপির বলয়ের যে সংখ্যাক ভোট পেতেন এবার প্রার্থী বদল হলে বিএনপি সেটা ফেরত পাবে এবং আওয়ামীলীগ বলয়ের বিশাল সংখ্যক ভোট বিএনপির বাক্সে যাবে বলে তাদের বিশ্বাস।

উল্লেখ্য ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এ আসনটি আওয়ামীলীগের হাতছাড়া হয়ে গেলে একাধিকবার হেরে যাওয়া এ আসনটিতে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নৌকা প্রতীক তুলেদেন আধ্যাপক ডাঃ এম আমান উল্লাহ’র হাতে। মনোনয়ন পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন অধ্যাপক ডা. এম আমান উল¬াহ। প্রাণ ফিরে পায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকগণ। নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর।

এরপর থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনিই নির্বাচিত হয়ে আসছেন। সেই থেকে টানা চারবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে ধরে রেখেছেন বিজয়ের ধারাবাহিকতা। একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক, উচ্চ শিক্ষিত বিনয়ী হিসেবেও তার রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। দলীয় প্রভাব, সহিংসতা ও হানাহানিমুক্ত পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে এলাকাটি বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।

দলমত নির্বিশেষে আমান উল্লাহর বিরাট ভোট ব্যাংক রয়েছে। কারন অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ, উনার স্ত্রী ডাঃ সাঈদা আক্তার ও তাঁর ছেলে ডাঃ মোনাসির সাকিফ আমান উল্লাহ, স্ত্রী ও ছেলে নিয়ে তিনজন বিজ্ঞ চিৎিসক হওয়ায় অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’র পারিবারিক রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্র্ধলক্ষ, এনিয়ে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ভোট ব্যাংক। যা অন্য প্রার্থীর জন্য কল্পনা মাত্র। উল্লেখ্য ২০০১ সনের সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে নৌকার বিপর্যয় হলেও ভালুকায় অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ বিজয়ের ধারা ধরে রাখেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’র বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই ভালুকার আওয়ামীলীগ এক্যবদ্ধ। যার ফলে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে ও নৌকা প্রতীক নিয়ে ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভালুকা পৌরসভার মেয়রসহ ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের সবকটি চেয়ারম্যান বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বজন স্বীকৃত যে ব্যক্তিগত ভাবে অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ কোন প্রকার সঙ্গাত ও সহিংসতা পছন্দ করেন না তারই ফলে ভালুকার রাজনৈতিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সু-শৃংখল। সাধারণ মানুষ চায় এই ধারা আগামী দিনেও বজায় থাকুক।

বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক নিতি নির্ধারক এই প্রতিনিধিকে বলেন, ৯৬ সনে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এই আসনটি পূণরুদ্ধারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, গত চারবার তারা ব্যর্থ হলেও এবার তারা সফলতার সম্ভাবনা দেখছেন। কারন তারা বলছেন যেহেতু এবার ডাঃ আমান উল্লাহকে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছেনা মর্মে প্রচারনা রয়েছে কাজেই এবার বিএনপির তার হারানো আসনটি পূণরুদ্ধারের শতভাগ সম্ভাবনা দেখছে।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

জনপ্রিয় পোষ্ট আপনার ভাল লাগতে পারে দেখুন “সবুজ বিডি ২৪“ এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

অবশেষে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিরো আলম

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।