বৃহস্পতিবার , নভেম্বর 15 2018
সর্বশেষ সংবাদঃ-
হোম / নির্বাচন সাময়িকী / ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে তৃণমূল আ’লীগের আস্থা আমানউল্লাহ’র উপর-ই

ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে তৃণমূল আ’লীগের আস্থা আমানউল্লাহ’র উপর-ই

মোঃ সাহিদুজ্জামান (সবুজ), ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামীলীগ থেকে কে পাচ্ছেন মনোনয়ন এ আলোচনা এখন মানুষের মুখে মুখে। তবে এ আসনটিতে ভালুকার বিভিন্ন শ্রেণী -পেশার মানুষসহ আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত তারা নৌকার প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’কেই সবচেয়ে বেশি গ্রহন যোগ্য মনে করছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করে, মনোনয়নে প্রার্থী বাঁছাইয়ে আওয়ামীলীগ ভূল না করলে এবারও এ আসনটি আওয়ামীলীগেরই থাকবে। কেন আওয়ামীলীগ সহ সাধারণ ভোটারদের আস্থা আমান উল্লাহতেই।

পর পর তিনবার হেরে যাওয়া এ আসনটিতে ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিজে ডেকে নিয়ে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নৌকা প্রতীক তুলেদেন আধ্যাপক ডাঃ এম আমান উল্লাহ’র হাতে। মনোনয়ন পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন অধ্যাপক ডা. এম আমান উলাহ।

প্রাণ ফিরে পায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকগণ। নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর। এরপর থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনিই নির্বাচিত হয়ে আসছেন। সেই থেকে টানা চারবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে ধরে রেখেছেন বিজয়ের ধারাবাহিকতা।

একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক, উচ্চ শিক্ষিত বিনয়ী হিসেবেও তার রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। দলীয় প্রভাব, সহিংসতা ও হানাহানিমুক্ত পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে এলাকাটি বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। দলমত নির্বিশেষে আমান উল্লাহর বিরাট ভোট ব্যাংক রয়েছে।

কারন অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ, উনার স্ত্রী ডাঃ সাঈদা আক্তার ও তাঁর ছেলে ডাঃ মোনাসির সাকিফ আমান উল্লাহ, স্ত্রী ও ছেলে নিয়ে তিনজন বিজ্ঞ চিৎিসক হওয়ায় অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’র পারিবারিক রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্র্ধলক্ষ, এনিয়ে গড়ে উঠেছে এক বিশাল ভোট ব্যাংক।

যা অন্য প্রার্থীর জন্য কল্পনা মাত্র। মনোনয়ন পেলে বিজয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। উল্লেখ্য ২০০১ সনের সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে নৌকার বিপর্যয় হলেও ভালুকায় অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ বিজয়ের ধারা ধরে রাখেন। ভালুকা-মল্লিকবাড়ী সড়কে খীরু নদীর উপর ব্রীজ, ভালুকায় ট্রমা সেন্টারসহ একাদিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’র হাত ধরেই।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ’র বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই ভালুকার আওয়ামীলীগ এক্যবদ্ধ। যার ফলে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে ও নৌকা প্রতীক নিয়ে ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভালুকা পৌরসভার মেয়রসহ ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের সবকটি চেয়ারম্যান বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকার পরও ভালুকার আওয়ামীলীগ শান্তিপ্রিয় ও সহনশীল মনোভাব নিয়ে রাজনীতি পরিচালনা করছেন।

সর্বজন স্বীকৃত যে ব্যক্তিগত ভাবে অধ্যাপক ডাঃ আমান উল্লাহ কোন প্রকার সঙ্গাত ও সহিংসতা পছন্দ করেন না তারই ফলে ভালুকার রাজনৈতিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সু-শৃংখল। সাধারণ মানুষ চায় এই ধারা আগামী দিনেও বজায় থাকুক।

অধ্যাপক ডা: এম আমান উল্লাহ বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে ভালুকা একটি আধুনিক ডিজিটাল ভালুকা হিসেবে গড়ে উঠবে। সেই লক্ষ নিয়েই ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলার লক্ষে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে নৌকা প্রতীকে ভোটদিয়ে আবারো আওয়ামীলীগকে রাষ্ট্রপরিচালনার সুযোগ দেবার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

জনপ্রিয় পোষ্ট আপনার ভাল লাগতে পারে দেখুন “সবুজ বিডি ২৪“ এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

জোটগত নির্বাচন করলে তিন দিনের মধ্যে জানাতে হবে: ইসি সচিব

মাহাবুব, ঢাকা: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।