শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

রাজারহাটের মাঠে মাঠে ধান কাটা মাড়াইয়ের ধুম

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে রোপা আমন ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকরা। ফলন ভাল হলেও বাজারে দাম কম হওয়ায় কিছুটা হতাশ চাষীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেণ ভারত থেকে এলসিতে চাল আসা ও মজুত চাল বিক্রি না হওয়ায় অর্থ সংকটে ধান কিনতে না পারায় বাজার নি¤œমূখী। তবে ধানের ন্যয্য মুল্য নিশ্চিতে বাজার মনিটরিং দাবী কৃষকদের। কৃষি বিভাগ বলছে কৃষক ন্যয্য মুল্য না পেলে ফলন উৎপাদনে উৎসাহ হারাবে।

উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের রোপা আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে শুরু করেছে রাজারহাটের কৃষকরা। স্বপ্ল সময়ে উৎপাদন সক্ষম বি ধান ৪৯-৬২ ও বিনা ৭ জাতের ধানের ভাল ফলন হয়েছে এ উপজেলায়। এবার নানা প্রতিকুল তার রোপা আমনের উৎপাদন খরচ বেরেছে কয়েক গুন। ধান কাটা মাড়াইয়ের পর কৃষক বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছে হাটে। কৃষকরা বলছেন আগাম জাতের ধানের ভাল ফলন পেলেও হাটে ন্যয্য দাম হারে দাম পাচ্ছে না তারা। রাজারহাটের বড় হাট সিঙ্গার ডাবরীর, নাজিমখান, ডাংরারহাট, রতিগ্রাম, কৃষকের হাট সহ বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে আগাম জাতের ধান কেনা হচ্ছে ৬শ থেকে ৬শ ৫০ টাকা মন দরে। ডাংরারহাটে ধান নিয়ে আসা ফকরুল ইসলাম বলেন এবার জমিতে সেচ দিতে হযেছে। ফলে বাড়তি খরচ হওয়ায় তাদের লোকশান গুনতে হয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেছেন ভারত থেকে এলসিতে চাল আসাসহ তাদের মোকামে বিপুল ধান ও চাল মজুদ থাকায় ধানের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। ফলে বাজারে আমরা চাল বিক্রি করতে না পারা এবং নগদ টাকা না থাকায় ধান কেনা অনেক ব্যবসায়ী পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ডাংরারহাটের ব্যবসায়ী আকুল কালাম বলেন বাজারে এখন ও পর্যাপ্ত ধান আসেনি। তবে যে দামে কেনা বেচা তা কৃষকদের জন্য কিছুটা কম হলেও বর্তমান দর ঠিক আছে। রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন দানের ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করা না হলে আগামীতে ফসল উৎপাদনে উৎসাহ হারাবে। তিনি আরো বলেন এবার স্বর্ন জাতীয় ধানের ফলন তুলুনা মুলক ভাল হয়েছে। এবারে উপজেলায় সাহে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com