Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
Home / অর্থ-বানিজ্য / ৬৯ বছরের রেকর্ড ভেঙে মোংলা বন্দর

৬৯ বছরের রেকর্ড ভেঙে মোংলা বন্দর

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক:

প্রতিষ্ঠার ৬৯ বছরের মাথায় সর্বোচ্চ জাহাজ আগমনের রেকর্ড হয়েছে মোংলা বন্দরে। ফেব্রুয়ারি মাসে এ বন্দরে জাহাজ ভিড়েছে ১০০টি। এর আগে ডিসেম্বরে ৮২টি ও জানুয়ারিতে ৮৭টি জাহাজের আগমন ঘটেছে। গত নভেম্বরে ৯১টি জাহাজ আসায় ৬৮ বছরের রেকর্ড ভাঙে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর একেএম ফারুক হাসান জানান, ‘এ বন্দরে একসময়ে (২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত) বছরে মাত্র ৭০/৮০টি জাহাজ আসতো। আর এখন সেখানে প্রতিমাসে ৭০/৮০টি ছাড়িয়ে ১০০টিতে উন্নীত হয়েছে। ১০০টি জাহাজ আসার ঘটনা মোংলা বন্দরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। আমরা আশা করছি পদ্মা সেতু, মোংলা-খুলনা রেললাইন, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও খানজাহান আলী বিমানবন্দরের কাজ সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরে জাহাজের আগমন আরও বাড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) একনেকে মোংলা বন্দরের উন্নয়নে ৪৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৫টি কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডেলিং যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে মোংলা বন্দরের ওপর যে চাপ বাড়বে, সেজন্য এখন থেকেই বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার।’

মোংলা বন্দর  চেয়ারম্যান ফারুক হাসান বলেন, ‘২০০৯ সালের পর থেকে লোকসানি প্রতিষ্ঠান থেকে বন্দরটি ধীরে ধীরে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। বর্তমানে এ বন্দরে ৬টি নিজস্ব জেটি, ব্যক্তিমালিকানাধীন ৭টি জেটি এবং ২২টি অ্যাঙ্কারেজের মাধ্যমে ৩৫টি জাহাজ একসঙ্গে হ্যান্ডলিং করা সম্ভব। ৪টি ট্রানজিট শেড, ২টি ওয়্যার হাউজ, ৪টি কন্টেইনার ইয়ার্ড, ২টি পার্কিং ইয়ার্ডের মাধ্যমে মোংলা বন্দর বার্ষিক ১শ লাখ মেট্রিক টন কার্গো এবং ৭০ হাজার কন্টেইনার এবং ২০ হাজারেরও বেশি গাড়ি হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা রয়েছে।’

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ‘২০১২-১৩ অর্থবছরে বন্দরে বিদেশি জাহাজ এসেছিল ২৮২টি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬২৩টিতে। একই সঙ্গে বন্দরে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় ২২৬ কোটি টাকা। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আসে ৭৮৪টি জাহাজ। এ সময় কার্গো হ্যান্ডলিং (পণ্যের ওঠানামা) হয় ৯৭ দশমিক ১৬ লাখ মেট্রিক টন। রাজস্ব আদায় হয় ২৭৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। একসময়কার স্থবির মোংলা বন্দরে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাজস্ব ব্যয় বাদে নিট মুনাফা ছিল সাড়ে ৭১ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে নিট মুনাফা হয় ১০৯ কোটি টাকা।’

বাংলাদেশ শিপিং অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বন্দরের সংকটের সমাধান করা গেলে মোংলা বন্দরের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাবে। সেই সঙ্গে বন্দরে আমদানি রফতানি বাড়বে ও অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।’

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির তালিকার পাঁচে বাংলাদেশ

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক: বিশ্বব্যাংক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি ...