মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
‘‘সবুজবিডি২৪ ডট কম’’ এ আপনাকে স্বাগতম। সাইটের উন্নয়ন কাজ চলছে... এ সময় আমাদের সাইট ভিজিট করতে একটু সমস্যা হতে পারে সেজন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

৯৯৯-এ ফোন- ইটভাটার বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেলেন ৬২ শ্রমিক

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের ফুনকুল এলাকায় অবস্থিত একটি ইটভাটার বন্দিশালা থেকে উদ্ধার পেয়েছেন নারী ও শিশুসহ ৬২ জন শ্রমিক। বকেয়া মজুরি চাওয়ায় মালিক ও তার লোকজন ইটভাটার একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল । সেখানে দুদিন অনাহারে দিন কেটেছে তাদের। অবস্থা বেগতিক দেখে এক শ্রমিক ফোনকল করেন জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ।

ফোন পেয়েই বুধবার (৩ এপ্রিল) রাতে পুলিশ গিয়ে বন্দিদশা থেকে তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনা ঘটেছে বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ফুনকুল এলাকার এবিএফ ব্রিকফিল্ডে ।

উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের মধ্যে ৯ শিশু ও ১৪ জন নারীও ছিলেন। শিশুদের বয়স ৮-৯ বছরের মধ্যে। উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে তাদের সবাইকে গ্রামের বাড়ি শেরপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তার আগে স্থানীয় মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ইয়ানবীর মধ্যস্থতায় মজুরি পরিশোধ করা হয় শ্রমিকদের।

বন্দরের কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হুসাইন বলেন, মুছাপুরের আলী আহম্মেদ আলীম, বারপাড়া গ্রামের মিজান ও দাশেরগাঁও গ্রামের সাহাবুদ্দিন ফুনকুল এলাকায় তাদের এবিএফ নামে ইটভাটা নির্মাণ করেন। সেখানে কাজের জন্য শেরপুর জেলার সদর থানা এলাকা থেকে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক আনা হয়। কুতুব উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি ওই শ্রমিকদের সর্দার।

গত ৩ মার্চ থেকে কালবৈশাখী ও বৃষ্টির কারণে ইট তৈরির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। গত ১ এপ্রিল রাতে ভাটা মালিক আলিম ও মিজানের কাছে মজুরির বকেয়া ৫০ হাজার ৫০০ টাকা চান শ্রমিকরা। এ সময় আলীম ও মিজান উল্টো শ্রমিকদের কাছে চার লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে শাসিয়ে তাদের কোনো টাকা দেবেন না বলে জানান। তখন শ্রমিক সর্দার কুতুব উদ্দিন বকেয়া টাকা থেকে খোরাকি বাবদ কিছু টাকা চান। এতে মিজান ও আলীম ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রমিকদের মারধর করে ভাটার একটি ঘরে আটকে রাখেন।

এসআই আরও বলেন, সেখানে অনাহারে দুই দিন অবরুদ্ধ থাকার পর এক শ্রমিক জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। খবর পেয়ে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সেখানে গিয়ে নারী-শিশুসহ ৬২ জনকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মালিক মিজান ও আলীম পালিয়ে যান।

এরপরে বৃহস্পতিবার মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) ইয়া নবীর মাধ্যমে বকেয়া ৫০ হাজার ৫’শ টাকা আদায় করে শ্রমিকদের নিজ গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান এসআই আনোয়ার হুসাইন।

 

সব সময় আপডেট নিউজ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন- সবুজ বিডি ২৪

সংবাদটি শেয়ার করুন:

© All rights reserved © 2018-2019  Sabuzbd24.Com
Design & Developed BY Sabuzbd24.Com